সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কর্ডএইড-এর নতুন রিসাইক্লিং প্রকল্পে তহবিল সহায়তা করছে কোকা-কোলা চিন্তামুক্ত এসএসসি পরীক্ষার জন্য উবার বাংলালিংক এর সাথে বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেড এর চুক্তি স্বাক্ষর আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে খোকসা উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা। ডিজিটাল লাইফস্টাইলের জন্য জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ‘ইনফিনিক্স’ জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা: নাসিব বিমান জাদুঘরে সাংবাদিকতার ব্যবহারিক ক্লাস তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং জরুরি ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশের ধূমপান আরও বাড়বে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট করারোপ সরকারের রাজস্ব বাড়াবে
ঘোষণা:
সত্য প্রকাশে অপ্রতিরোধ্য দৈনিক সময়ের কণ্ঠ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম  

হাসপাতালে প্রেমিক প্রেমিকার বিয়ে কেবিনে বাসর রাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১, ৭:১৬ পূর্বাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের কেবিনে প্রেমিক যুগলের বিয়ে ও বাসর সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিয়ের পর সেখানে রাত্রিযাপন করেন তারা।
নব-বিবাহিতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চরপাড়ার হুসাইন আহমেদ ও ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রামের তাসফিয়া সুলতানা মেঘা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় ডান পা ভেঙে যায় হুসাইন আহমেদের। ভাঙা পা নিয়ে তিনি কয়েকদিন ধরে ওই উপজেলার বেসরকারি ফাতেমা ক্লিনিকের চিকিৎসাধীন। সেখানে তার দেখাশোনার জন্য মা-বাবা ও বোন রয়েছেন।

এদিকে প্রেমিকের পা ভাঙার খবর পেয়ে ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ওই হাসপাতালে ছুটে যান প্রেমিকা তাসফিয়া সুলতানা মেঘা। সবকিছু জানার পর হুসাইন আহমেদের স্বজনরা মেঘার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনা শুনে মেঘার বাবা মেয়েকে বাড়িতে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সম্ভব হলে বিয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন।

বিয়েতে রাজি হন মেঘা ও হুসাইন। এরপর পরে গভীর রাতে হাসপাতালের কেবিনেই কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর সেখানেই তাদের বাসর হয়। এ খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নব দম্পতিকে দেখার জন্য ভিড় জমে হাসপাতালে।

হুসাইন আহমেদের বাবা আব্দুস সোবহান বলেন, মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আমাদের আগে থেকেই সম্পর্ক আছে। এছাড়া তাদের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। আমার ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটি হাসপাতালে চলে এসেছে। এরপর আমি মেয়ের বাবার সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু মেয়ের বাবা এভাবে বিয়ে দিতে রাজি না। অন্যদিকে মেয়েটিও বিয়ে না করে এখান থেকে যাবে না বলে জেদ ধরে। এরপর মধ্যরাতে কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেই।

ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মুনজুর আলী বলেন, ছেলের বাবা আব্দুস সোবহান আমার বাল্যবন্ধু। তার ইচ্ছেতেই আমার ক্লিনিকে বিয়েটা হয়েছে। বিষয়টি আমারো ভালো লেগেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ.....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর