শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আসছে মিডবাজেট ভিভো ওয়াই২১; সাথে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার জাতিসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে মাসকলাইবীজ ও সার বিতরণ । নওগাঁ’র রাণীনগরে ১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরনঃ কুষ্টিয়ার সবজির বাজার গুলোতে আগুন,দাম পাচ্ছে না কৃষক পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমি জাল-জালিয়াতি, বিজ্ঞ আদালতে মামলা তদন্ত পিবিআইতেে পটুয়াখালীর চর কাজলে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট হাসপাতালে ভর্তী। কুষ্টিয়ায় এবার দেখা মিলল অন্যতম রাসেল ভাইপার সাপ শীর্ষ করদাতা হিসেবে সম্মাননা পেল বিএটি বাংলাদেশ তিন বারের চেয়ারম্যান পরিবার নিয়ে থাকেন জরাজীর্ণ টিনের ঘরে
ঘোষণা:
সত্য প্রকাশে অপ্রতিরোধ্য দৈনিক সময়ের কণ্ঠ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম  

হাসপাতালে প্রেমিক প্রেমিকার বিয়ে কেবিনে বাসর রাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১, ৭:১৬ পূর্বাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের কেবিনে প্রেমিক যুগলের বিয়ে ও বাসর সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিয়ের পর সেখানে রাত্রিযাপন করেন তারা।
নব-বিবাহিতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চরপাড়ার হুসাইন আহমেদ ও ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রামের তাসফিয়া সুলতানা মেঘা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় ডান পা ভেঙে যায় হুসাইন আহমেদের। ভাঙা পা নিয়ে তিনি কয়েকদিন ধরে ওই উপজেলার বেসরকারি ফাতেমা ক্লিনিকের চিকিৎসাধীন। সেখানে তার দেখাশোনার জন্য মা-বাবা ও বোন রয়েছেন।

এদিকে প্রেমিকের পা ভাঙার খবর পেয়ে ঝিনাইদহের লেবুতলা গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ওই হাসপাতালে ছুটে যান প্রেমিকা তাসফিয়া সুলতানা মেঘা। সবকিছু জানার পর হুসাইন আহমেদের স্বজনরা মেঘার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনা শুনে মেঘার বাবা মেয়েকে বাড়িতে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সম্ভব হলে বিয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন।

বিয়েতে রাজি হন মেঘা ও হুসাইন। এরপর পরে গভীর রাতে হাসপাতালের কেবিনেই কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর সেখানেই তাদের বাসর হয়। এ খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নব দম্পতিকে দেখার জন্য ভিড় জমে হাসপাতালে।

হুসাইন আহমেদের বাবা আব্দুস সোবহান বলেন, মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আমাদের আগে থেকেই সম্পর্ক আছে। এছাড়া তাদের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। আমার ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটি হাসপাতালে চলে এসেছে। এরপর আমি মেয়ের বাবার সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু মেয়ের বাবা এভাবে বিয়ে দিতে রাজি না। অন্যদিকে মেয়েটিও বিয়ে না করে এখান থেকে যাবে না বলে জেদ ধরে। এরপর মধ্যরাতে কাজি ডেকে তাদের বিয়ে দেই।

ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মুনজুর আলী বলেন, ছেলের বাবা আব্দুস সোবহান আমার বাল্যবন্ধু। তার ইচ্ছেতেই আমার ক্লিনিকে বিয়েটা হয়েছে। বিষয়টি আমারো ভালো লেগেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ.....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর