সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কর্ডএইড-এর নতুন রিসাইক্লিং প্রকল্পে তহবিল সহায়তা করছে কোকা-কোলা চিন্তামুক্ত এসএসসি পরীক্ষার জন্য উবার বাংলালিংক এর সাথে বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেড এর চুক্তি স্বাক্ষর আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে খোকসা উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা। ডিজিটাল লাইফস্টাইলের জন্য জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ‘ইনফিনিক্স’ জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা: নাসিব বিমান জাদুঘরে সাংবাদিকতার ব্যবহারিক ক্লাস তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং জরুরি ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশের ধূমপান আরও বাড়বে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট করারোপ সরকারের রাজস্ব বাড়াবে
ঘোষণা:
সত্য প্রকাশে অপ্রতিরোধ্য দৈনিক সময়ের কণ্ঠ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম  

রাস্তায় ড্রাইভিং করার জন্য প্রত্যেক ডাইভারের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিনিধি
আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১, ২:৩৭ অপরাহ্ন

তাই দুর্ঘটনায় কেউ মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত বেপরোয়া গতিতে চালানোকে কোনো অপরাধ হিসাবে গণনা না করলে, ফিটনেসবিহীন তথা পরিবর্তিত আকারের যানবাহন চালনাকে অজামিনযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করলে… সড়কে নিরাপত্তা আনায়ন তো অসম্ভব ই,বরং সড়ক কে আরো অনিরাপদ এবং সড়ক হত্যাকে পরোক্ষ ভাবে উস্কে দেয়া হবে।

অপরদিকে এই বৃহৎ অপ্রশিক্ষিত চালকদের কার্যকর ভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকরী দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ বা কোর্সের বিকল্প নেই।এত অদক্ষ চালকের মূল কারণ, বাস্তব ক্ষেত্রে ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার গুলোতে লোক দেখনো সেমিনারের মাধ্যমেই প্রশিক্ষিত বলে ঘোষণা করা হয়।কিন্তু কার্যত এসব সেমিনার তথা ক্যামপেইনের মাধ্যমে কখনো পূর্ণ প্রশিক্ষণ সম্ভব নয়।এর জন্য সারাদেশে ড্রাইভিং এর উপর কয়েক মাস মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সের ব্যবস্থা চালু ও বাধ্যতামূলক করতে হবে।এতে করে একজন চালকের প্রশিক্ষণের পূর্নতা,সামাজিক মর্যাদা,সচেতনা সব কিছুই বৃদ্ধি পাবে।এবং লাখ লাখ নিরক্ষর শ্রমিক যারা রয়েছেন তাদের ও নতুন করে ফাইভ পাশ/এইট পাশের মতো প্রায় অসম্ভব কাজে না গিয়েই একজন প্রশিক্ষিত,সচেতন চালক হয়ে ওঠা সম্ভব।

তাছাড়াও সড়ক নিরাপত্তায় সড়ক আইন কে কার্যকরী ভূমিকায় পেতে চাইলে আইনে অবশ্যই অবৈধ চদাবাজির ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকতে হবে।

গেলো বছর করোনার প্রথম লকডাউনেই যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজধানী সহ সারাদেশে একেকটি বাস থেকে দৈনিক ১০০০-১২০০ টাকা চাদা নেয়া হয় শ্রমিক কল্যাণ তহবিল এর নাম করে।বাৎসরিক হিসাবে দেশের প্রায় ৮ লাখ বাণিজ্যিক পরিবহন থেকে এই চাদার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩০-৩২ হাজার কোটি টাকা। এই বৃহৎ তহবিল এর টাকা কোথায় ব্যয় হয় তার কোনো সুষ্ঠু হদিস কখনোই কেউ দেখাতে পারে নি।এই অতিরিক্ত চাদার বোঝা বহন করে নিজেদের ভরণপোষণ মেটাতেই মূলত বাস চালকরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠছে।তাই এই চাদাবাজি আইন করে গোড়া থেকে নির্মুল না করলে কখনোই সড়কে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

তাই সার্বিকভাবে বলা যায়, প্রথম থেকেই সমালোচিত নতুন সড়ক পরিবহন আইন কখনোই ২০১৮ এর নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতিফলন ছিলো না, এটি শুধুমাত্র প্রহসন ছিলো।এবং এখন এই আইন কে পরিবর্তন করে সাধারণ জনগণের জন্য আরো বেশি অনিরাপদ করার মাধ্যমে ১৮ এর আন্দোলনের সাথে সরাসরি প্রতারণা করা হচ্ছে।

আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত,
কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক,
নিরাপদ সড়ক আন্দোলন-(নিসআ)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ.....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর