সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কর্ডএইড-এর নতুন রিসাইক্লিং প্রকল্পে তহবিল সহায়তা করছে কোকা-কোলা চিন্তামুক্ত এসএসসি পরীক্ষার জন্য উবার বাংলালিংক এর সাথে বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেড এর চুক্তি স্বাক্ষর আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে খোকসা উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা। ডিজিটাল লাইফস্টাইলের জন্য জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ‘ইনফিনিক্স’ জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা: নাসিব বিমান জাদুঘরে সাংবাদিকতার ব্যবহারিক ক্লাস তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং জরুরি ভেপিং নিষিদ্ধ করা হলে বাংলাদেশের ধূমপান আরও বাড়বে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট করারোপ সরকারের রাজস্ব বাড়াবে
ঘোষণা:
সত্য প্রকাশে অপ্রতিরোধ্য দৈনিক সময়ের কণ্ঠ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম  

২০ কেজি গাঁজা নিয়ে কাড়াকাড়ি, পুলিশ পেল ৮ কেজি!

অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১, ৫:৩৬ অপরাহ্ন

গাঁজার গাড়ি আটকে উদ্ধারকৃত ২০ কেজি গাঁজার মধ্যে ১২ কেজি গাঁজা তিন যুবলীগ নেতা ও কথিত এক সাংবাদিকের মধ্যে ভাগাভাগি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অবশিষ্ট ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের নহল চৌমুহনী নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার ৬দিন অতিবাহিত হলেও ভাগাভাগি হওয়া ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা যায়নি। তবে ভাগাভাগি করার অভিযোগ ওঠা যুবলীগ নেতা ও সাংবাদিকদের থানায় ডেকে মুচলেকা নিয়েছে পুলিশ। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গা
ছাড়া ভাব দেখে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
উঠেছে।স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৮টায় গাইটুলি গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন (৪০) সিএনজি চালিত অটো রিকশায় করে কসবা থেকে গাঁজা নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে নহল গ্রামের কবির মিয়া (৩২) ও বুলেট বাবু (২৪) নহল চৌমুহনী নামক স্থানে গাঁজা বহনকৃত গাড়ি আটকাতে
ওঁৎ পেতে থাকেন। গাঁজার গাড়ি আসা মাত্রই
ব্যারিকেড দেন তারা। এ সময় গাড়িতে থাকা ফারুক ডাকাত বলে চিৎকার করলে আশ-পাশের লোকজন জড়ো হয়।

পরে সাধারণ মানুষ এসে দেখেন
পেক্ষাপট ভিন্ন, তাই তোপের মুখে গাঁজা ফেলে
দিয়ে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যান ফারুক।
এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নহল
গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে ও ধামঘর ইউনিয়ন
যুবলীগের সহ-সভাপতি রাব্বি (২৫), গাইটুলি গ্রামের
মকবুল হোসেনের ছেলে ও যুবলীগ কর্মী
সোহেল মিয়া (২৯), জাহাপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার
ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইয়াছিন
আরাফাত বাবু (২৮) ও কথিত সাংবাদিক রাহাত হোসেনসহ
(৩৫) অন্যান্যরা।

স্থানীয়রা জানান, এ ঘটনায় রাহাত ফারুকের পক্ষ নিয়ে
কবির ও বাবুকে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে গাঁজা দিয়ে
দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এ প্রস্তাব প্রত্যাখান
করলে জোর খাটিয়ে ১২ কেজি গাঁজা নিয়ে
ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন রাহাত হোসেন, মোর্শেদ
কামাল রাব্বি, ইয়াছিন আরাফাত বাবু ও সোহেল মিয়া।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অবশিষ্ট ৮ কেজি
গাঁজা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এএসআই আবু হানিফ।

এ ঘটনায় পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন,
বুলেট বাবু ও কবিরের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রি
করলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে আটক
করতে পারেনি।

গাঁজা ব্যবসায়ী ফারুকের সাথে মুঠোফোনে কথা
হলে তিনি বলেন, “আমার সিএনজিতে ২০ কেজি গাঁজা
ছিল। কবির, বুলেট বাবু ও অন্যান্যরা আমার এ গাঁজা
ভাগাভাগি করে নিয়ে গেছে।”

যুবলীগ নেতা মোর্শেদ কামাল রাব্বি, ইয়াছিন
আরাফাত বাবু ও সোহেল মিয়ার সাথে
মুঠোফোনে কথা হলে তারা গাঁজা ভাগাভাগি করে
নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
৭০ হাজার টাকা অফার দেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা দাবি করে
কথিত সাংবাদিক রাহাত হোসেন বলেন, “পান্নারপুল
থেকে আসার পথে চৌমুহনী এসে শুনি এখানে
গাঁজা ছিনতাই হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বলেছি বিষয়টি
পুলিশকে জানানোর জন্য। এর বেশি কিছু আমি জানি
না।”
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদেকুর
রহমান বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল থেকে ৮ কেজি
গাঁজা পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছি। গাঁজা ব্যবসার
সাথে জড়িত সন্দেহে ৩ জনের নামে সাধারণ
ডায়েরি করা হয়েছে। গাঁজা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
ওঠা ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা
রেখেছি। বাকী গাঁজা উদ্ধারসহ ঘটনার সাথে
জড়িতদের গ্রেফতার তৎপরতা অব্যাহত আছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ.....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর